ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। টানা হামলা-পাল্টা হামলায় উভয় দেশের প্রায় ১ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। সময় যত যাচ্ছে, এই সংঘাত যেন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে ট্রাম্প সতর্ক করে জানিয়েছেন, ইরানে আরও বড় কিছু ঘটতে চলেছে। এরপরই বিশ্বজুড়ে কৌতূহল আরও বেড়েছে।
ট্রাম্পের এই বার্তাকে আরও জোরালো করছে আরব দেশগুলো। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইরানে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের কাছে কয়েক সপ্তাহ ধরে লবিং চালিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশ সৌদি আরব। সৌদি যুবরাজ নিজেই ইরানে হামলার জন্য ট্রাম্পের কাছে লবিং করেছেন।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার বিষয়ে আরব দেশগুলো ইসরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে হাত মেলানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
এরই মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করেছে। পাল্টা প্রতিশোধ নিতে ইরানও এসব ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিক স্থানে ইরান হামলা চালিয়েছে।’
তেহরানের এমন আচরণে ক্ষুব্ধ আরব দেশগুলোর কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আরব দেশগুলো আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারাও এই অভিযানে যুক্ত হতে চাইছে।’
উল্লেখ, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বৃহৎ সামরিক হামলা চালায়। এ হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতার মৃত্যু হয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: Tuesday, 3 March, 2026 । 1:09 pm