মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পেল রায়পুর উপজেলা পরিষদ
পরিবার পরিকল্পনা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচিত হয়েছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা পরিষদ।
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গত রোববার লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক এস. এম. মেহেদী হাসান রায়পুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিয়াউল কাদেরের হাতে শ্রেষ্ঠত্বের ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।
এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল, “তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয় সুন্দর আগামী গড়ি।”
অনুষ্ঠানে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য আরও আটটি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী অর্চনা রানী দাস, রায়পুর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. আলী হায়দার, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দিঘনী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শিকা মারজাহান আক্তার, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. মাকছুদুর রহমান ভুঁইয়া, রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, চরশাহী ইউনিয়ন পরিষদ এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, লক্ষ্মীপুর।
পরিবার পরিকল্পনা লক্ষ্মীপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক নাজমুল হাসানের সভাপতিত্বে এবং রায়পুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জিয়াউল কাদেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আবু হাসান শাহীন এবং রায়পুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও ইউএনও মেহেদী হাসান কাউছার।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. জুনায়েদ আহমেদ মারুফ। প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন সহকারী পরিচালক মো. মাহবুব হাসান ভূঞা। পরে মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর জেলার পরিবার পরিকল্পনা ও মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবার সার্বিক অগ্রগতি তুলে ধরা হয়।
জেলা পর্যায়ে এই অর্জন রায়পুর উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সমন্বিত সেবার স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাগো সংবাদ/আরাফাত/জাকির হোসেন

